শুক্রবার, মে ০১, ২০১৫


বাঙ্গালীর একুশে

মাসিক বাঙ্গালীর একুশের কিছু ফিচার এখনও দেওয়া হয় নাই যা পরবর্তীতে দেওয়া হবে। আমাদের চেষ্ট থাকবে সময় উপযোগী সকল কিছু সরবরাহ করার জন্য তবে এর জন্য কেমন বিষয় গুলি থাকলে সুবিধা হবে তা আমাদের জানালে আমরা তা প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিতে পারি। 
আমাদের আগিমি প্রতিবেদনে যা থাকবে সেটি হল আশুগঞ্জ উপজেলার সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের চলতি বছরের পরিকল্পনা নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন। প্রতিবেদনটি প্রাকাশের কাজ চলছে আগামি কয়েক দিনের মধ্যেই এর কাজ শেষ হবে। 
আমরা প্রতিবেদনটি প্রস্তুত হওয়ার সাথে সাথেই আমাদের সাইটে তা প্রকাশ করব। পরবর্তীতে আমরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন কার্যালয়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ নিত্য প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ টেলিফোন ও মোবাইলে ফোন নাম্বার গুলির জন্য একটি সাইট সংযুক্ত করব। যাতে সবাই সহজে আমাদের সাইটটিতে সার্চ করেই তা পেতে পারে। সাবাইকে ১২৯মত মহান মে দিবসের লাল সালাম জানাচ্ছি বাঙ্গালীর একুশের পক্ষ থেকে। 
জয় হোক মেহনতি ও প্ররিশ্রমি মানুষের। 
সম্পাদক
মাসিক বাঙ্গালীর একুশে।
১মো - ২০১৫ খ্রি:
যদি প্রশ্ন করা হয় যে, পৃথিবীটা গড়েছে কারা - এর উত্তর নি:সন্দেহে হবে - মেহনতি ও পরিশ্রমি মানুষেরা অর্থাৎ দুনিয়ার মজদুরেরাই পৃথিবীটাকে গড়েছে বড় গড়ছে। কিন্তু সবচেয়ে অবহেলীত হল এই মেহনতী মানুষগুলিই । কি আশ্চার্য পৃথিবীর নিয়ম। যেই নিয়মের মধ্যে মানব সভ্যতা আজও এক কঠিন শৃঙ্খলে আবদ্ধ। 
আজ শ্রমের মর্যাদর কথা বলা হয় এমনকি শিক্ষকদের পাট্য-পুস্তুকেও ‘শ্রমের মর্যাদা’ রচনা শিখানো হয়। সকল ধর্মে শ্রমের ন্যায্য মূল্য পরিশোধের সুস্পষ্ট তাগিদ এবং নির্দেশ রয়েছে। কিন্তু বাস্তাব সমাজ-ব্যবস্থায় শ্রমের মর্যাদা নয় বরং অমর্যাদাটাই সফলভাবে করা হয়। শ্রমের মলিক শ্রমিকের মর্যাদা এবং মানটা কোথায় একটা ছোট বাচ্চও জানে তা অমর্যাদার শেষ মাথায়। মর্যাদা অমর্যাদা নিয়েও শ্রমিকদের কোনো মাথা ব্যথ্যা নেয়। কিন্তু তাদের মাথা ব্যাথা হয় কিছু শিক্ষিত সুবিধাভোগী চুরদের নিয়ে। তারা শুধু শ্রমিকের শ্রমকেই চুরি করছে না। চুরি করছে শ্রমিকের কষ্টার্জিত নগদ অর্থ। এখন একটি লেবারের চাকুরি নিতে গেলেও একজন শ্রমিককে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা ঘোষ দিতে হয়। আমাদে স্বাধীন দেশে ঘোষের মাধ্যমে চাকুরি বা শ্রমিকের শ্রম শোষণ আজ ওপেন সিক্রেট। সব জানার পরও বসের বিরুদ্ধে বলা যাবেনা। তবে ১২৯তম মহান স্বাধীনতা দিবসের স্মরণে  এতটুকু বলতে পারি- এই অচলায়তন ভাঙ্গতে হলে শ্রমিকের ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। এবং তা করতে হবে যোগ্য-সৎ যুগউপযোগী নেতৃত্ব গড়ে তুলার মাধ্যমে।
আপনি আপনার মন্তব্য গুলি পাঠাতে চাইলে তা সহজেই পাঠাতে পারেন। এর জন্য আপনি শুধু - সম্পাদক এ ক্লিক করুন তাহলেই সম্পাদকের  ই-মেইল পেইজটি ওপেন হবে আপনি আপনার মন্তব্য লিখে সেন্ড বাটনে ক্লিক করলেই তা সম্পাদকের কাছে পৌছেঁ যাবে।
 

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন